Ads

ফ্রি ওয়েবসাইট বানিয়ে মাসে 600 ডলার কিংবা তারও বেশি ইনকাম কথাটা শুনে অনেকটা অবাক মনে হলেও এটিই সত্য । আমাদের দেশে অনেক মানুষ রয়েছেন যারা ফ্রি ব্লগার ওয়েবসাইট বানিয়ে মাসে হাজার ডলার কিংবা তারও অনেক বেশি ইনকাম করে থাকেন । তাও আবার মোবাইল কম্পিউটার ল্যাপটপ দিয়ে ঘরে বসে স্বাধীনভাবে কাজ করে ।

অনলাইনে যারা থাকেন বা যাদের স্মার্টফোন ল্যাপটপ কম্পিউটার রয়েছে তারা ভিডিও দেখতে গেলেই সাজেস্ট ভিডিও গুলোতে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন ওখানে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা যায় এরকম অনেক টাইটেল দেখতে পাবেন ।

এটি দেখে অনেকেই ক্লিক করেন অনেকেই ভিডিও দেখেন বিভিন্ন ইনকাম ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খোলেন ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন এ অ্যাকাউন্ট খোলেন ইনকাম করার জন্য কাজও করেন কিন্তু কথা হচ্ছে পেমেন্ট তো আর ভাই সব সাইট থেকে কি আর পান ? । আবার কিছু কিছু রিয়েল ওয়েবসাইট রয়েছে বা অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে হাতে গোনা মাত্র কয়েকটি বা শতকরা হিসাব করতে গেলে হয়তো 1 পার্সেন বা তারও কম হবে যারা কিনা ইনকাম দিয়ে থাকে । যাই হোক যদিও এই ধরনের ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা গেলেও খুবই সামান্য তাতে কিন্তু ইন্টারনেট খরচ ওঠেনা । এবং বেশিরভাগ অনলাইন ইনকাম সাইট গুলা মানুষের সাথে প্রতারণা করে থাকে অর্থাৎ অনেক লোভ দেখিয়ে ফ্রিতে কাজ করিয়ে নেয় পেমেন্ট দেওয়ার সময় তারা দেয় না বিভিন্ন অজুহাতে পেমেন্ট আটকে রাখে ।

এই কারণে অনেক মানুষ রয়েছেন যারা কিনা হতাশ অনেকেই বলে থাকেন অনলাইন থেকে আসলে কোন টাকা ইনকাম করা যায় না । বিষয়টা কি আসলে সত্য ? কখোনই না অনলাইন থেকে মানুষ বা আমি নিজেও প্রতিমাসে শতে শতে ডলার ইনকাম করে থাকি । আমাদের দেশে অনেক মানুষ রয়েছেন 4 থেকে 5 হাজার কিংবা তারও বেশি ডলার প্রতি মাসে ইনকাম করে থাকেন তাহলে তারা কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করেন বিষয়টি কমেন্ট করে জানাতে পারেন ।

অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চাইলে অবশ্যই আমাদের সঠিক ইনকামের রাস্তা গুলো খুজে বের করতে হবে কারণ সঠিক গাড়িতে না উঠলে কখন সঠিক বা নির্ধারিত গন্তব্য স্থানে যাওয়া যায় না ।

যারা নিজেরা কিছু করতে চান বা নিজেদের ক্যারিয়ার অনলাইনে আল্লায় দিলে গঠন করতে চান তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি খুবই হেল্প হবে কারণ ।আপনি যদি চান গুগলের প্রোডাক্ট এর মাধ্যমে সারা জীবন ইনকাম করতে পারবেন কারণ গুগোল কখনো কারো সাথে প্রতারণা করে না ।

তাই আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হলো কিভাবে একটি ফ্রি ব্লগার ওয়েবসাইট খুলে সারাজীবন বিভিন্ন ক্যাটাগরি নিয়ে লেখালেখি করে টাকা ইনকাম করবেন মোবাইল কম্পিউটার ও ল্যাপটপ দিয়ে ।


নিজে ফ্রী ওয়েবসাইট বানিয়ে মাসে $600 ডলার আয় করার উপায়



একাউন্ট কিভাবে খুলব ?


গুগোল ব্লগার ওয়েবসাইট ফ্রিতে খোলাটা তেমন আহামরি কোনো কাজ নয । আপনার কাছে যদি একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট থাকে তাহলে আপনি www dot blogger dot com এই ঠিকানায় গিয়ে একটি ইউনিক এড্রেস দিয়ে ফ্রি একটি ব্লগার ওয়েবসাইট খুলে নিতে পারবেন । যেকোনো একটি থিম অবশ্যই এসইও ফ্রেন্ডলি হতে হবে এটা ইন্সটল দেওয়ার পরে । অবশ্যই থিম তাকে কাস্টমাইজ করে সাজিয়ে নিতে হবে । এরপর যখন কাস্টমাইজ কমপ্লিট হয়ে যাবে আর্টিকেল লেখার আগে পারলে একটি মাস্টার ডমিন ওয়েবসাইটের সাথে এড করে নিলে সবচাইতে ভালো হয় । কারণ মাস্টার ডোমেইন ওয়েবসাইটের সাথে থাকলে ওয়েবসাইটে ভ্যালু অনেকখানি বেড়ে যায় ।


কিভাবে কাস্টমাইজ করব ?


একটি টেমপ্লেট কিংবা একটি থিম কিভাবে কাস্টমাইজ করতে হয় এই নিয়ে ইউটিউবে সার্চ করলে অনেক টিটোরিয়াল পাওয়া যাবে সেটি দেখে করে নিতে পারেন তারপরও যদি আপনি একেবারেই না বোঝেন তাহলে কোন ভাল ওয়েব ডেভলপার কে দিয়ে কাজটি করিয়ে নিতে পারেন যদিও সে ক্ষেত্রে কিছু খরচ পড়বে ।


প্লেট বা থিম কাকে বলে ?


আপনারা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন একটা ওয়েবসাইট থেকে আরেকটা ওয়েবসাইটের ডিজাইন আলাদা হয় অর্থাৎ একটা সাথে কিন্তু আরেকটা মিলেনা । এটাই হলো টেমপ্লেট বা থিম এর কারিশমা । অর্থাৎ এই টেম্পলেটের কারণেই একটা ওয়েবসাইট থেকে আরেকটা ওয়েবসাইটের ডিজাইন আলাদা হয়ে থাকে এবং এই টেমপ্লেটটি বিভিন্নভাবে কাস্টমাইজ করলেই ওয়েবসাইট ডিজাইন ফুটে ওঠে ।


মাস্টার ডোমেইন কাকে বলে ?


যখন ফ্রিতে একটি ব্লক ওয়েবসাইট খোলা হয় তখন গুগল থেকে অটোমেটিক একটি সাবডোমেইন দেওয়া হয় যেমন । Freelancertvpro dot blogspot dot com
আর যদি মাস্টার ডোমেইন ব্যবহার করা হয় তাহলে এ অ্যাড্রেসটা হবে freelancertvpro dot com আশা করি বিষয়টা বুঝতে পারছেন অর্থাৎ মাস্টার ডোমেইন কেনা হলে তখন blogger spot এই লেখাটা চলে যাবে ওয়েবসাইট থেকে তখন ওয়েবসাইটের বেলু অনেকখানি বেড়ে যাবে । তবে আপনি চাইলে গুগলের সাবডোমেইন ও ব্যবহার করতে পারেন ওয়েবসাইটের জন্য । তবে মনে রাখবেন ওয়েবসাইটের জন্য মাস্টার ডোমেইন ব্যবহার করা উত্তম ।


এগুলা করলেই কি ওয়েবসাইট কমপ্লিট হয়ে যাবে ?


এই কাজগুলো করলে মোটামুটি 70 থেকে 80 পার্সেন্ট কাজ কমপ্লিট হবে তবে এ ছাড়াও আরও বেশ কিছু কাজ করতে হবে যেগুলো কাজ না করলে ওয়েবসাইট কখোনই গুগোল রেনকে আসবে না কিংবা গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রুভ পাবেনা । আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ  ভিতরে রয়েছে যেমন যে আর্টিকেলগুলো আপনি লিখবেন সেগুলো গুগোল এ ইন্ডেক্সড হতে হবে বা ইন্টেক্স একাউন্ট খুলতে হবে । ওয়েবসাইটের সাথে গুগোল সাইটম্যাপ এড করতে হবে তা না হলে গুগলে ওয়েবসাইট খুঁজে পাওয়া যাবে না । এই কাজগুলো পরিপূর্ণভাবে ঠিকঠাক মত হলে এরপর কেবল গুগল এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করার জন্য ওয়েবসাইট উপযুক্ত হবে বলে মনে করা যায় ।


আর্টিকেল কিভাবে লিখব ?


এই যুগে কিভাবে আর্টিকেল লেখবেন এরকম প্রশ্ন করাটা বোকামী শামিল । এখন অনলাইন পত্রিকার কোন অভাব নেই অনলাইন ঘাটলে পেয়ে যাবেন আগে যে পত্রিকাগুলো অফলাইনে শুধু প্রচার করত বা বিক্রি করতো সেই পত্রিকাগুলো এখন কিন্তু অনলাইন ভিত্তিক হয়ে গেছে । যেমন প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন । যে বিষয় নিয়ে আপনার আগ্রহ বেশি সেই বিষয়টি বেছে নিয়ে আপনি ওই নিউজ থেকেই যেটি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে সেগুলো কে একটু মডিফাই করে লেখতে পারেন । তবে খেয়াল রাখবেন মূল বিষয়টা যেন হারিয়ে না যায় । ধরুন কালের কন্ঠ পত্রিকায় একটি নিউজ এসেছে ওখানে লেখা রয়েছে টাইটেলে আপনি সেটাকে মডিফাই করবেন কিভাবে উদাহরণস্বরূপ দেখে নিন ।  ফ্রিল্যান্সার টিভি পুরো নামে নতুন একটি ল্যাপটপ বাজারে এসেছে । আপনি এটি কে মডিফাই এভাবে করতে পারেন । বাজারে আসতে চলেছে নতুন ল্যাপটপ ফ্রিল্যান্সার পুরো নামে । আশা করি বিষয়টি বুঝতে পারছেন অর্থাৎ মূল বিষয়টা কিন্তু রয়ে গেল মূল বিষয়টা কি ছিল সেটা হল ফ্রিল্যান্সার টিভি প্র এই কথা ঠিক রেখে আগে পরে বিষয়টা কিন্তু ঘুরিয়ে লেখা হয়েছে এটাকে বলে মডিফাই । 


কপি-পেস্ট কি করা যাবে ?


যদি চিন্তা করেন যে কপি পেস্ট করব তাহলে জীবনেও আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন না । বা গুগোল কখনই আপনার ওয়েবসাইটটির জন্য গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রভাল করবেনা । শুধুমাত্র অন্য ওয়েবসাইট থেকে কিংবা অন্য নিউজ আর্টিকেল থেকে আপনি ধারণা নিয়ে মডিফাই করে লেখতে পারবেন এতে কোন সমস্যা নেই কিন্তু কপি-পেস্ট ভুলেও করা যাবেনা অথবা অন্যের টা দেখে হুবাহুব ভাবে নকল করেও লেখা যাবে না । 


বাংলাতে লিখতে গেলে তো অনেক সময় লেগে যাবে ?


বাংলাতে যদি আপনি কিবোর্ড দিয়ে লিখতে চান তাহলে অনেক সময় লাগবে এটাই স্বাভাবিক । যেহেতু এখন ডিজিটাল যুগ আর আপনি কাজটা করবেন ডিজিটাল ভাবে সেহেতু আপনি ভয়েস দিয়ে বলে বলে লিখতে পারেন কিভাবে এটা করবেন এই বিষয়ে গুগোল এ অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন ওখান থেকে দেখে নিলে আশা করি বিষয়টা ক্লিয়ার হয়ে যাবেন ।



আমি কি একটি ওয়েবসাইটে সব ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করতে পারব ?


সত্য কথা বলতে কি এরকমটা যদি করেন কখনোই আপনার ওয়েবসাইট গুগোল এ ফাস্ট পেজে আসবেনা । আপনি যদি দুধ দিয়ে ভাত খাওয়ার সময় আলুভর্তা লোন তাহলে কেমন হবে বিষয়টা ঠিক ওরকমই হয়ে যাবে অর্থাৎ নিরামিষ হয়ে যাবে এটা কখনোই করা যাবে না । এইজন্য আপনার যেটির প্রতি দুর্বলতা রয়েছে বা আপনে যেই বিষয়টাকে ভালোবাসেন ওই বিষয়টা অথবা ওই টপিকটা কে নিয়ে কাজ করবেন আর যদি একাধিক কাজে অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকেন তাহলে একাধিক ওয়েবসাইট খুলে নিতে পারেন আলাদা আলাদাভবে  ।


ভাল ওয়েব ডেভলপার কিভাবে পাব ?


ভালো মানের ওয়েব ডেভলপার পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে যেতে হবে যেমন freelancher . com ফাইবার ইত্যাদি ইত্যাদি । তবে এইসব মার্কেটপ্লেসে অবশ্যই মাস্টার কার্ড ভিসা কার্ড প্রয়োজন হবে আর যদি আপনার কাছে সেটা না থাকে । অথবা আপনার পরিচিত যদি কোন ভাল ওয়েব ডেভলপার না থাকে তাহলে আপনি চাইলে আমার থেকেও প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারবেন । এইজন্য আমার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার জন্য এখানে ক্লিক করে ফেসবুক পেজে জয়েন হতে পারেন । গুগোল ব্লগার ওয়েবসাইট থেকে যে আমি প্রতিদিন 20 ডলার কিংবা তারও বেশি ইনকাম করে থাকি সেটার প্রমাণ স্বরূপ একটি ভিডিও রয়েছে চাইলে এখানে ক্লিক করে ইউটিউব থেকে ভিডিও টি দেখে নিতে পারেন ।


টাকা কিভাবে হাতে পাব ?


আপনি যখন সব কিছু নিয়ম কারণ ভাবে সঠিকভাবে করে ফেলবেন ঠিক তখনই আপনি গুগলের কাছে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রভাল এর জন্য এপ্লাই করতে পারবেন যখনই গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রভাল হয়ে যাবে । এবং আপনার অ্যাডসেন্সে 100 ডলার হয়ে যাবে তখনই গুগোল মাসের একুশ থেকে 22 তারিখে বা 25 তারিখের ভিতরে ব্যাংকে সরাসরি পাঠিয়ে দিবে অর্থাৎ যখনই একাউন্টে 100 ডলার বা তার বেশি থাকবে তখন ওই পুরো টাকাটাই গুগোল মাসের শেষে পাঠিয়ে দিয়ে থাকে । 


শুরু থেকেই কি প্রতিদিন 10 থেকে 20 ডলার ইনকাম করতে পারব ?


একটি শিশু যখন জন্মগ্রহণ করে তখন থেকে কি সে টাকা রোজগার করতে পারে । একটি ফলের দানা যখন মাটিতে রোপন করা হয় সেখান থেকে যখন গাছ হয় সে কি তখন থেকে ফল দিতে পারে । এটা যেমন কখনোই সম্ভব না একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে শুরু থেকে ইনকাম করা আশা করাটাও কখনো সম্ভব না । যখন একটি শিশু বড় হয়ে যুবক হয় তখন থেকেই যেমন ইনকাম করা শুরু হয় আল্লাহ দিলে একটি ফল গাছ যখন বড় হয় ডালপালা গজায় তখন থেকে ফল দেওয়া শুরু করে ঠিক ওরকমই ওয়েবসাইটটি যখন গুগোল এ রেংক করবে তখন থেকেই ডলার বা টাকা ইনকাম করা শুরু হবে আশা করি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন ।


1 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

Ads

Ads